অ্যাটলেটিকোর হার রিয়ালের ড্র সম্ভাবনা দেখছে বার্সেলোনা


barcelonaআগের দিন গেটাফের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করায় স্প্যানিশ লা-লিগায় এই মওসুমের আশা শেষ হয়ে গেছে মনে করা হচ্ছিল বার্সেলোনার। শিরোপার লড়াই বাকি ছিল ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগে এইবারের ফাইনালিস্ট, নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যে। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে রোববার শিরোপার আরও কাছে যাওয়ার সুযোগ ছিল অ্যাটলেটিকোর। কিন্তু দিনের প্রথম ম্যাচে তারা লেভান্তের কাছে ২-০ গোলে হেরে যায়। এতে শিরোপা লড়াইয়ে এখনও সম্ভাবনা আছে বার্সেলোনা। রিয়াল মাদ্রিদের। দিনের অন্য ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়াকে হারালেই স্পষ্ট শিরোপা দেখতো রিয়াল। কিন্তু নিজেদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ভ্যালেন্সিয়া তাদেরকে রুখে দেয় ২-২ গোলে। তবে এখনও পুরোপুরি সম্ভাবনা মিইয়ে যায়নি।

৩৬ ম্যাচে ৮৮ পয়েন্ট নিয়ে অ্যাটলেটিকো আছে সবার শীর্ষে। সমান সংখ্যক ম্যাচে বার্সেলোনা ৮৫ পয়েন্ট নিয়ে আছে দ্বিতীয় স্থানে। আর তাদের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলে রিয়ালের পয়েন্ট ৮৩। অ্যাটলেটিকো যদি মওসুমের শেষ দুই ম্যাচে মালাগা ও বার্সেলোনাকে হারাতে পারে তাহলে ৯৪ পয়েন্ট নিয়ে তারা শিরোপা জিতে নিবে। এক্ষেত্রে পরের তিন ম্যাচে ভায়াদোলিদ, সেল্টা ভিগো ও এস্পানিওলকে হারালেও রিয়ালের পয়েন্ট দাঁড়াবে ৯২ পয়েন্ট। কিন্তু রোববার যদি তারা ভ্যালেন্সিয়াকে হারাতে পারতো আর পরের ম্যাচগুলোতে দুই দলই জয় পেতো তাহলে মওসুম শেষে রিয়াল ও আ্যটলেটিকোর পয়েন্ট হতো সমান-৯৪। আর এক্ষেত্রে গোল ব্যবধানে এগিয়ে শিরোপা ঘরে তুলতে পারতো রিয়াল। তবে অ্যাটলেটিকো যদি পরের যে কোন একটি ম্যাচ হারে আর রিয়াল তিনটি ম্যাচই জেতে তাহলে শিরোপা যাবে লস ব্লাঙ্কোসদের ঘরেই।

রোববার ঘরের মাঠে রিয়াল হারতে হারতেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দৃষ্টিনন্দন গোলে ড্র করতে পেরেছে। ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত ভ্যালেন্সিয়া ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল। কিন্তু ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে রোনালদো দেখালেন অবিশ্বাস্য এক ভেলকি। এ সময় অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার বাড়ানো ক্রস থেকে ব্যাক হিলের মাধ্যমে এমন একটি গোল করলেন যা দেখে রিয়াল সমর্থকরা ড্র’র স্মৃতি ভুলে গেছে। সুইডিশ স্ট্রাইকার জ্লাতান ইবরাহিমোভিচের জন্য ট্রেডমার্ক হয়ে যাওয়া এই গোলের স্টাইলে রোনালদো পূরণ করেন মওসুমের ৫০তম গোল। এর আগে ৪৪ মিনিটে জার্মেই ম্যাথিউর গোলে এগিয়ে যায় ভ্যালেন্সিয়া। তবে ৫৯ মিনিটে রিয়ালকে সমতা এনে দেন চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেমিফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে জোড়া গোল করা ডিফেন্ডার সার্জিও রামোস। তবে ৬৫ মিনিটে ভ্যালেন্সিয়াকে আবারও এগিয়ে দেন পারেজো।

(124)