গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হবে : নৌমন্ত্রী


shahajan_morningsunbdনৌপরিবহণমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাণিজ্যে টিকে থাকতে কক্সবাজারের সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হবে।

শিপার্স কাউন্সিল অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিমের নেতৃত্বে নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার নৌপরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

শিপার্স কাউন্সিল অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান বলেন, শেখ হাসিনার যুগোপযোগী বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সরকার প্রতিটি সেক্টরে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। যার ফলে দেশ স্বল্পোন্নত দেশের গণ্ডি অতিক্রমের দারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলে অচিরেই দেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।

প্রতিনিধিদল জাহাজভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি সুস্পষ্ট নীতিমালার মধ্যে আনতে মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

তারা বেনাপোল বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ, কক্সবাজারের সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প বাস্তবায়ন, মংলা বন্দরকে আধুনিকীকরণ, নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত ড্রেজিং ব্যবস্থা চালু রাখা, বন্দরে লোডিং-আনলোডিংয়ের জন্য আধুনিক সুবিধা প্রবর্তন, বেশি পরিমাণ কনটেইনার রাখার জায়গার ব্যবস্থা করা, ট্রাক/বার্জে পাট ও পাটজাত পণ্য বন্দরে আসামাত্র কনটেইনারে স্টাফিং করার জন্য প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্টের ব্যবস্থা করা এবং বন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার সুপারিশ করা হবে।

শাজাহান খান বলেন, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরের ভূমিকা অপরিসীম। এগুলোর আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকার পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনাল ও পটুয়াখালীতে পায়রা সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করেছে। বেনাপোল বন্দরের উন্নয়নসহ বিভিন্ন স্থলবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, অবহেলিত মংলা বন্দরকে লোকসানের খাত থেকে লাভজনক বন্দরে পরিণত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিভিন্ন বন্দরের উন্নয়নে তিনি শিপার্স কাউন্সিল অব বাংলাদেশের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

(226)