তারেকের মাথায় মগজ নেই, গোবর: হানিফ


image_78438_0

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, “আমরা জানতাম মানুষের মাথায় মগজ থাকে। কিন্তু তারেক রহমানের মাথায় মগজের পরিবর্তে গরুর গোবর রয়েছে।”

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিলন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি রোধে নতুন প্রজন্ম’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিব) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

হানিফ বলেন, “তারেকর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে। আমি সেদিকে যাব না। কিন্তু স্বাধীনতা নিয়ে এ ধরনের বক্তব্য মূর্খতার সামিল। এ মূর্খ নিজের ইচ্ছেমতো কথা বলেছে কিনা তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। তার মূর্খতার সুযোগ নিয়ে একাত্তারের পরাজিত শক্তিরা তাকে দিয়ে এসব কথা বলিয়েছে।”

তিনি বলেন, “স্বাধীনতাবিরোধীরা এখন নতুন তত্ত্ব দিয়ে দেশের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র বানাতে চায়। তারাই এই মূর্খকে দিয়ে ইতিহাস বিকৃত করে বক্তব্য দেয়াচ্ছে।”

বিএনপির তিস্তা লংমার্চ প্রসঙ্গে হানিফ বলেন, “পানির জন্য বিএনপির আজ দরদ উঠেছে। আর যখন তারা ক্ষমতাই ছিল তখন তাদের নেত্রীর ভারতে গিয়েছিল রাষ্ট্রীয় সফরে এজেন্ডায় থাকা সত্ত্বেও পানি নিয়ে কোনো আলোচনা করেনি। অথচ তিনি বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন পানি নিয়ে আলোচনা করতে ভুলে গেছেন তিনি।”

হানিফ বলেন, “দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের দেশে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। এখন ভারতেও নির্বাচন চলছে। সেখানেও নতুন সরকার আসবে। এই নতুন সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে তিস্তা সমস্যার সমাধান করব।”

‘বিএনপির লংমার্চের ফলে তিস্তায় পানি এসেছে’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা বলেন, “আপনাদের লংমার্চের ফলে যদি পানি এসে থাকে তাহলে ভালো। আপনারা যুগ যুগ ধরে লংমার্চ করুন। জনগণের স্বার্থের এজেন্ডা নিয়ে আন্দোলন করুন।”

অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. বদিউজ্জামান ভূইয়া ডাবলু, স্বাচিব মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত প্রমুখ।

(127)