তিস্তার পানি নিয়ে ভারত তামাশা করেছে: মির্জা আলমগীর


 

mirzafakhrulবিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিস্তার পানি নিয়ে ভারত তামাশা করেছে। আমরা যখন লংমার্চ নিয়ে তিস্তা অভিমুখে যাচ্ছিলাম তখন ৩ হাজার কিউসেকে পানি বাড়িয়ে দিলো। আবার যখন চলে এলাম তিস্তার পানি কমতে শুরু করল। এটা তাদেও অত্যন্ত নিচু মানের নাটক।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব) আয়োজিত ‘বর্তমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতি: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, তিস্তার পানি আমাদের অধিকার। এ অধিকার থেকে কেউ আমাদের বঞ্চিত করতে পারেনা।কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে নিশ্চুপ।

মির্জা আলমগীর বলেন, সরকার বিদ্যুতের নামে চুরি করছে। সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা কুইক রেন্টালের নামে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। এখন আবার সেখানে ভর্তুকীর নামে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করে জনগনের পকেট কাটা হচ্ছে।দেশ আজ অন্যের হাতে চলে যাচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন,  বিদ্যুৎ করিডোরের মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎখাত হাত ছাড়া হয়ে যাচ্ছে। করিডোর দেওয়ার উদ্দেশ্য কী সেটাও প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে।’

আন্দোলন সফল হয়েছে দাবি করে মির্জা আলমগীর বলেন, হতাশ হওয়ার কারণ নেই। বিএনপির আন্দোলন ব্যর্থ হয়নি। কারণ আমরা গত ৫ জানুয়ারি নির্বাচন বর্জনের ডাক দিয়েছিলাম। জনগন আমাদের ডাকে সারা দিয়ে ৯৫ ভাগ লোক ভোটকেন্দ্রে যায়নি। তখন আমরা আন্দোলন করে সারা বাংলাদেশকে ৩ মাস অচল করে দিয়েছিলাম। তাই আমাদের আন্দোলন সফল হয়েছে। কিন্তু সরকারের স্বশস্ত্র গুন্ডাদের সাথে লড়াই করা আমাদের কাজ নয়। বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল। অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক লড়াই চালিয়ে যাবে।

বর্তমান সরকাকে স্বঘোষিত সরকার আখ্যা দিয়ে মির্জা আলমগীর বলেন, এদের সাথে আলোচনা করে কোন ফল পাওয়া যাবে না।

সরকারের থাকা সাবেক বামপন্থী নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ১৯৭২, ৭৩ ও ৭৫ সালে আপনারা কি বলেছিলেন। এখন কি সেসব কথা একবারও মনে পড়ে না। আওয়ামী লীগ সরকার ৭৫ সালে একদলীয় বাকশাল গঠন করে আপনাদের মুখ বন্ধ করে দিয়েছিল। সেসব কি ভুলে বসেছেন?

এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব)’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রকৌশলী আ ন হ আখতার হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রকৌশলী মহসীন আলী, প্রকৌশলী হারুন, আক্তার হোসেন প্রমুখ।

(124)