রেলের টিকেটিং পদ্ধতি আরো আধুনিক করার সুপারিশ


 

ticketকালোবাজারি রোধ ও সহজে গ্রাহকদের কাছে টিকিট পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে রেলওয়ের টিকেটিং পদ্ধতি আরো আধুনিক করার সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।মঙ্গলবার সংসদ ভবনে দশম সংসদে কমিটির প্রথম সভা শেষে কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করীম চৌধুরী সাংবাদিকদের এ কথা  জানান।তিনি বলেন, “টিকেটিং পদ্ধতি আধুনিকায়নের জন্য আমরা সুপারিশ করেছি। কিন্তু এটা কেমন হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি।”

উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, “বিমানের টিকেটে যাত্রীর নাম থাকে। রেলের টিকেটেও যাত্রীদের নাম অথবা অন্য কোনো চিহ্ন থাকতে পারে। এতে টিকেটের প্রকৃত মালিককে চেনা ও কালোবাজারি রোধ করা সহজ হবে।”

রেলের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে এ বি এম ফজলে করীম বলেন, “রেলকে আরো উপযোগী করে তোলার বিষয়ে আমরা সুপারিশ করেছি। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এখানেও রেলের সবকটি লাইনকে ব্রডগেজে আনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্রডগেজের চাইতে মিটারগেজে গতি কম ও ঝুঁকি বেশি থাকে।”

দেশে বর্তমানে দুই হাজার ৮৭৭ কিলোমিটার রেলপথের মধ্যে ৬৬০ কিলোমিটার ব্রডগেজ, এক হাজার ৮০৮ কিলোমিটার মিটারগেজ ও ৪০৯ কিলোমিটার ডুয়েল গেজ লাইন রয়েছে।

কমিটির সভাপতি জানান, সারাদেশে রেলের বিভিন্ন পয়েন্টে সিকিউরিটি জোরদারের বিষয়েও  কমিটির সভায়  আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি কোচের সংখ্যা বাড়ানো ও বেশি করে কার্গো যাতে পরিবহণ হতে পারে সে বিষয়েও এ সভায় আলোচনা হয়।

রেলের জমি উদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা শুরু করছি। দখল হয়ে যাওয়া জমিগুলো উদ্ধারের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হবে। পর্যায়ক্রমে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু সেতুতে রেল দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে কমিটির সভাপতি ফজলে করীম চৌধুলী বলেন, “ঘুর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে ট্রেনটি এ দুর্ঘটনায় পড়েছে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়, সেজন্য ব্রিজে ট্রেনের গতি কমানোসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।”সভায় কমিটির সদস্য রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক, আলী আজগর টগর, মোহাম্মদ নোমান, ফাতেমা জোহরা রানী, সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, মো. ইয়াসিন অংশ নেন।

(126)