৯ বছরে সপ্তম চুক্তিতে মেসি


A handout picture taken and released on

২০০৫ সালের জুন মাসে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার সিনিয়র দলে যোগ দেন লিওনেল মেসি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। প্রতি বছর তার দাম বেড়েই চলছে। বার্সেলোনার ক্যারিয়ারের নবমবারের মতো নতুন চুক্তি করতে যাচ্ছেন এই আর্জেন্টাইন। চলতি মাসেই বার্সেলোনা তার সঙ্গে নতুন চুক্তিতে আসবে।
১ম চুক্তি: জুন, ২০০৫
প্রথমবারের মতো স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনায় পেশাদার ফুটবলার হিসেবে যোগ দেন লিওনেল মেসি। সেই শুরু থেকে আজ পর্যন্ত নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন মেসি।
২য় চুক্তি: সেপ্টেম্বর, ২০০৫
বার্সেলোনায় যোগ দেয়ার প্রথম বছরের আগস্টে ‘হুয়ান গাম্পার ট্রফি’ ট্রফিতে দারুণ ঝলক দেখান তিনি (মওসুমে লীগ শুরু হওয়ার আগে বার্সেলোনা প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে। যেটা ‘হুয়ান গাম্পার ট্রফি’ নামে পরিচিতি)। জুভেন্টাসের বিপক্ষে মেসি দারুণ ঝলক দেখনোর পর ফ্যাবিও ক্যাপেলো তার অনেক প্রশংসা করেন। তখন তার সঙ্গে নতুন চুক্তিতে আসে কাতালানরা। অথচ এর আগে বার্সেলোনা অন্য কোন ক্লাবে তাকে লোনে (ধার) দিতে চেয়েছিল।
৩য় চুক্তি: জানুয়ারি, ২০০৭
মেসির প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন ক্লাব তার প্রতি আগ্রহ দেখাতে শুরু করে। তখন বার্সেলোনা তার সঙ্গে ‘বাই আউট ক্লস’-এর শর্তে ১৫০ মিলিয়ন পাউন্ডে ২০১৪ সাল পর্যন্ত চুক্তি করে।
৪র্থ চুক্তি: জুন, ২০০৭
২০০৭ সালে দ্বিতীয় দফায় মেসির সঙ্গে চুক্তি করে বার্সেলোনা। এ বছরের জুনে বার্সেলোনা ছেড়ে চলে যান তাদের ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার রোনালদিনহো। মেসি তখন হয়ে ওঠে কাতালানদের প্রধান আকর্ষণ। দ্বিতীয় দফায় তারা আরও ৮.৫ মিলিয়ন ইউরো বৃদ্ধি করে। কিন্তু চুক্তির মেয়াদ থাকে সেই আগেরটাই।
৫ম চুক্তি: সেপ্টেম্বর, ২০০৯
২০০৯ সালে মেসি বিশ্বের বড় তারকা হয়ে ওঠেন। তাকে কেনার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন ক্লাব হুমড়ি খেয়ে পড়ে। কিন্তু বার্সেলোনা এই সময় আরও একটি বড় চুক্তিতে আসে। চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয় ২০১৬ সাল পর্যন্ত। বাৎসরিক বেতন বেড়ে দাঁড়ায় ১১ মিলিয়ন পাউন্ডে।
৬ষ্ঠ চুক্তি: ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
২০১৩ সালে তার সঙ্গে আরও ২ বছরের চুক্তি বাড়ানো হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী তাকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কাতালান শিবিরে থাকতে হবে। মূল বেতন ছাড়া মওসুমে ১৬ মিলিয়ন পাউন্ড পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় তারা।
৭ম চুক্তি: মে, ২০১৪
চলতি মাসে তার সঙ্গে নতুন চুক্তিতে আসতে যাচ্ছে বার্সেলোনা। ৩ মিলিয়ন পাউন্ড বোনাসসহ মনে করা হচ্ছে, বছরে ২০ মিলিয়ন পাউন্ড পকেটে ঢুকানোর সুযোগ পাচ্ছেন মেসি।

(241)